মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

দিঘাপতিয়া পি. এন. উচ্চ বিদ্যালয়।

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

 দিঘাপতিয়ার রাজ বংশের চতুর্থরাজা দানবীর ,মহৎ,বিদ্যানুরাগী স্বর্গীয় রাজা প্রসন্ন নাথ রায় বাহাদুর, সুন্দুর সুনির্মল নিরিবিলি মনোমুগ্ধকর পরিবেশে অনেক টাকা ব্যয়  করে ৫একর ৭৯ শং জমির উপর স্থায়ী পাকা ভবন নির্মান করেন । বর্তমানে নাটোর বগুড়া মহা সড়কের উত্তর পার্শ্বে দিঘাপতিয়া ও পাশ্ববর্তী  অঞ্চলের অধিবাসীকে শিক্ষিত করার মানসে এবং জ্ঞান বিস্তার এর লক্ষ্যে ১৮৫২ ইং সালের ১লা জানুয়ারীতে দিঘাপতিয়া পি,এন, স্কুল  প্রতিষ্ঠা করেন। যাহা ২০১২ সালের ১লা জানুয়ারীতে ১৬০ বছরে পর্দাপন  করেছে। বর্তমানে রাজশাহী বিভাগে যতগুলি বিদ্যালয় আছে তার মধ্যে এই দিঘাপতিয়া পি,এন, উচ্চ বিদ্যালয় মনে হয় প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠ। ১৮৫২ ইং সাল থেকে আজ অবধি পর্যন্ত তাহার সুনাম ধরে রেখেছে। এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হওয়াতে এতদঞ্চলের অশিক্ষিত লোকের শিক্ষার পথ সুগম হয়েছে। দেশের হাজার হাজার লোককে অজ্ঞানতার অন্ধকার হতে আলোর সন্ধান দেওয়া স্বর্গীয় রাজা প্রসন্ন নাথ রায় বাহাদুরের একান্ত কামনা ছিল। তাই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন এই বিদ্যালয় .  যতদিন এই বিদ্যালয় টিকে থাকবে  ততদিন স্বর্গীয় রাজা প্রসন্ন নাথ রায় বাহাদুর অমর হয়ে থাকবেন । দেশের লোক শ্রদ্ধার সহিত স্মরণ করবেন রাজা বাহাদুরকে। বিদ্যালয় সংলগ্ন বিশাল খেলার মাঠটি বিদ্যালয়ের শ্রী বৃদ্ধি করছে । খেলাধুলার উৎকর্ষ সাধনে অনন্য ভূমিকা রাখছে । এই বিদ্যালয় ছাড়া তিনি আর ও জনহিতকর কার্য্য করে গিয়েছেন, যাহা সাক্ষ্য দিবে যুগে যুগে তাঁহার মহত্বকে লোকে স্মরন করবে  অমর পূন্যাত্বাকে অতি শ্রদ্ধার সহিত । 

 

১৮৫২ ইং সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর বিদ্যালয়টি যাতে অর্থাভাবে বন্ধ না হয়ে যায় এবং বিদ্যালয়টি সুষ্ঠভাবে পরিচালনার জন্য রাজা বাহাদুর একটি ট্রাষ্ট ফান্ড গঠন করেন, যার অর্থের পরিমান তৎকালীন সময় ১,০৮,৪০০ টাকা। এই টাকার লভ্যাংশ বাংলাদেশ স্বাধীনতার পূর্ব পর্যন্ত বিদ্যালয় পেয়ে আসছিল। কিন্তু অতি দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় স্বাধীনতার পর আর কোন লভ্যাংশ অদ্যবধি বিদ্যালয়টি পায়নি। এই বিপুল পরিমান টাকা বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকে গচ্ছিত আছে বলে জানা যায়।

 

১৮৫২ ইং সালে রাজা বাহাদুর বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বিকাশের জন্য একটি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন। শুধু পাঠ্যপুস্তক পাঠ করে কখনই জ্ঞান ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব  নয় । সেই লক্ষ্যে দিঘাপতিয়ার রাজা বাহাদুর তৎকালে যে সমস্ত  পুস্তক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক/শিক্ষিকাদের দান করে গিয়েছেন যা অতি মূল্যবান। বিদ্যালয়ের রেকর্ডে যা পাওয়া যায় তা থেকে দেখা যায় যে , বিভিন্ন ধরনের পুস্তক যেমন ইংরেজি সাহিত্য , বাংলা সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন , বিজ্ঞান, অর্থনীতি, ও পৌরনীতি প্রভৃতি পুস্তক । বিদ্যালয়ের রেকর্ড হতে  আরও জানা যায় যে, সে সময়ে  বিভিন্ন্ ধরনের প্রায় ১ হাজার ৪৭০ খানা পুস্তক ছিল । তারমধ্যে পারস্যের কবি ফেরদৌসি রচিত‘‘শাহনামা’’ এবং শেখ শাদীর ‘‘গুলিস্তাবোস্তা’’ অত্র বিদ্যালয়ের পাঠাগারে সংরক্ষিত ছিল। কিন্তু , দুঃখের বিষয় বিভিন্ন সময় বিশেষ করে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী এই অতি মূল্যবান পুস্তক গুলি লুট করে নিয়ে যায়। বর্তমানে এই প্রাচীন পাঠাগারে ‘‘এনসাইক্লোপেডিয়াব্রিট্রেনিকার’’ সমস্ত খন্ডই সংরক্ষিত আছে । কিন্তু , বয়সের ভারে তা পড়ার অযোগ্য হয়ে গিয়েছে । ১হাজার ৪৭০ খানা পুস্তকের মধ্যে ৪ খানা পুস্তক স্বর্ণ খচিত মোলাটে আবৃত ছিল । বর্তমানে ১ খানা পুস্তক পাঠাগারে সংরক্ষিত আছে । বর্তমানে এই পাঠাগারে যে সমস্ত মূল্যবান প্রাচীন পুস্তক সংরক্ষিত আছে তা বৃহত্তর রাজশাহী বিভাগে যেকোন পাঠাগারের মধ্যে অন্যতম তার দাবিদার ।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোঃ আলিম উদ্দিন ০১৭১৪-৮৩৪১৪২ ndpnhighschool@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

সর্বমোট  ৮১৫ জন।  মোট ১২টি শাখায় অধ্যয়ন রত   ৬ষ্ঠ- ২৫৩, ৭ম -১৮৮, ৮ম- ১৯২, ৯ম- ৯১, ১০ম - ৯১ ।

                   

জে এস সি ৭০.২০% (২০১২ইং সালে)

* মোঃ আব্দুস সালাম সরকার  (সভাপতি)

               * মোঃ আব্দুল লতিফ সরকার - অভিভাবক সদস্য 

               * মোঃ মকবুল হোসেন        -      ঐ

               * মোঃ জালাল উদ্দিন          -      ঐ

               * মোঃ সাইফুল ইসলাম        -      ঐ

               * মোঃ শমসের আলী           - দাতা সদস্য

               * মোঃ নজরম্নল ইসলাম        - শিক্ষক প্রতিনিধি

               * আব্দুলস্নাহ-আল মনসুর        -      ঐ  

               * হাসনা বানু                    - শিক্ষক প্রতিনিধি (মহিলা)

              * মোঃ আলিম উদ্দিন           - প্রআন শিক্ষক/ সম্পাদক

 

 

এস এস সি -৯১.৪৫% (২০১৩ ইং সালে)

 

  সাল

পরীক্ষার্থীর সংখা

পাশ

মমত্মব্য

২০০৯

১১৯

৫৭

 

২০১০

১৩৩

১১৫

 

২০১১

১০৯

৭৫

 

২০১২

১২৯

১০৬

 

২০১৩

১১৭

১০৭

 

 জে এস সি ৭০.২০%   (২০১২ইং সালে)  
 

  সাল

পরীক্ষার্থীর সংখা

পাশ

মমত্মব্য

২০১০

১৪৪

৮০

 

২০১১

১৬৬

১০৪

 

২০১২

১৫৮

১১১

 

  

জে.এস.সি-২০১১-২ জন (সাধরণ)

   ঐ     -২০১২-১ জন (সাধারণ)

 

এস-এসসি- ২০১২ - ২ জন (সাধরণ)

 ঐ     -   ২০১৩-  ১ জন (সাধারণ)

বিদ্যালয়টি ১৮৫২খ্রীঃ  হতে আজ অবধি ১৬৩ বছর যাবৎ অত্রাঞ্চলে জ্ঞানের আলো বিসত্মার করে শিক্ষক্ষত জাতি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

ছাত্রছাত্রীর ফলাফল ১০০% উন্নিতকরন, ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ও উপস্থিতির হার বৃদ্ধি এবং  ঝরে পরা শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমানোর জন্য শিক্ষক অভিভাবক মত বিনিময় সভার আয়োজন করা। বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মান, সম্মেলন কক্ষ নির্মাণ, পর্যাপ্ত আসন ব্যবস্থা ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠদান নিশ্চিতকরন, ছাত্রছাত্রীর পৃথক আবাসিক হোস্টেল নির্মাণ,একাদশ শ্রেণীতে উন্নীতকরন।

নাটোর বগুড়া মহা-সড়কের উত্তরে উত্তরা গনভবনের অর্ধ কিঃমিঃ পূর্বে অত্র বিদ্যালয়টি   অবস্থিত।

মেধাবী ছাত্রদের তালিকাঃ(২০১৩)

   

      ১০ম-ক শাখাঃ সুরাইয়া খানম    খ শাখা ঃ নূর নাহার দিলারা

       ৯ম  ক-শাখা   ঃ আশরাফুল ইসলাম  খ শাখা ঃ নাজমুল আহমেদ

       ৮ম ক-শাখা   ঃ  বিথী খাতুন          খ  শাখা  ঃ মৌমিতা খাতুন

       ৭ম ক শাখা   ঃ  নাদিম মাহমুদ        খ শাখা  ঃ  মিতা খাতুন       গ শাখাঃ  সোনিয়া খাতুন

       ৬ষ্ঠ ক শাখা   ঃ  ফারহান লাবিব       খ শাখা  ঃ  শিলা আকতার    গ শাখাঃ  ইসরাত জাহান